উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সরকার, নাকি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রনীতি?
উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সরকার, নাকি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রনীতি?

একটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কি দীর্ঘমেয়াদি সরকার অপরিহার্য, নাকি তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রনীতি? একটি গণতান্ত্রিক সরকার কি উন্নয়নের স্বার্থে কখনো কঠোর ও আপসহীন হতে পারে? আবার দীর্ঘদিন একই রাজনৈতিক নেতৃত্ব ক্ষমতায় থাকলেই কি উন্নয়ন নিশ্চিত হয়? চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, প্রশ্নটির উত্তর শুধু “গণতন্ত্র” অথবা “একনায়কতন্ত্র”—এই দুই শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উন্নয়নের প্রকৃত পার্থক্য তৈরি হয় রাষ্ট্রের নীতির ধারাবাহিকতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জবাবদিহি, দুর্নীতির মাত্রা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষমতার মধ্যে।

সূর্যের শক্তি, বিদ্যুতের চাকা—বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতিতে বছরে সাশ্রয়ের সম্ভাবনা ২০-৩০ হাজার কোটি টাকা
সূর্যের শক্তি, বিদ্যুতের চাকা—বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতিতে বছরে সাশ্রয়ের সম্ভাবনা ২০-৩০ হাজার কোটি টাকা

এমন বাস্তবতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট শুধু একটি রাজস্ব পরিকল্পনা নয়; বরং এটি বাংলাদেশের জ্বালানি ও পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরের একটি নীতিগত রূপরেখা। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ও বৈদ্যুতিক যানবাহন (Electric Vehicle বা EV) খাতে সরকারের অগ্রাধিকার আগামী দশকের অর্থনৈতিক কাঠামো পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। অনেক অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এই বাজেট বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতির নতুন যুগের সূচনা করতে পারে।