রোজার বাজার সামলাতে ১০ পণ্যের এলসিতে নগদ মার্জিন কমানোর নির্দেশ
রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চাল, চিনি, পেঁয়াজ, ছোলা, খেজুরসহ ১০ পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আসন্ন রমজান মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও পর্যাপ্ত রাখতে আমদানিকারকদের জন্য এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে এসব পণ্য আমদানির ঋণপত্র স্থাপনে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রোববার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। ‘রমজান মাস উপলক্ষ্যে নিত্যপণ্যের আমদানি ঋণপত্র স্থাপন এবং নগদ মার্জিন সংরক্ষণ’ শীর্ষক সার্কুলারটি জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী রমজান মাস সামনে রেখে চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বরের এক সার্কুলারে কয়েকটি পণ্য আমদানির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বরের সার্কুলারে রমজান মাসের চাহিদা বিবেচনায় কিছু ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনা চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
