গত সপ্তাহে গ্রিসের কাছে ১-০ গোলে হারের শোধ নিতে তিনটি পরিবর্তন এনেছিলেন ক্লপ। ম্যাচে দাপট দেখালেও রাতটা নিজেদের করে নিতে পারেনি জার্মানরা। ৭০ শতাংশের বেশি বল দখলে রেখে ২১টি শট নিলেও তারা জাল খুঁজে পায়নি।
২০ সেপ্টেম্বর জার্মানির রাজধানী বার্লিন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেকলেনবুর্গ-ফোরপোমার্ন রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মেকলেনবুর্গ-ফোরপোমার্নে সিডিইউ মাত্র ৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ফলে রাজ্য পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় ৫ শতাংশ সীমার নিচে চলে গেছে দলটি। এটি রাজ্যটিতে সিডিইউর ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে খারাপ ফল।
বিজয়ী দলের উদযাপন মঞ্চের পেছনে বড় হরফে জার্মানিতে লেখা ছিল ‘আলেস ইস্ট ম্যোগলিখ’—অর্থাৎ, ‘সবকিছুই সম্ভব’। এই বার্তাটির প্রতিফলন দেখা গেছে স্যাক্সনি-আনহাল্টের নির্বাচনে। জার্মানির ১৬ রাজ্যের মধ্যে ভৌগোলিকভাবে অষ্টম বৃহত্তম ও জনসংখ্যার দিক থেকে ১১তম এই রাজ্যে এএফডির বিজয়ে কেঁপে উঠেছে পুরো ইউরোপ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বার্লিন, হামবুর্গ ও মিউনিখসহ জার্মানির প্রায় ২০টি শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এএফডিবিরোধী প্রচারগোষ্ঠী প্রুফ এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। আয়োজকদের দাবি, সব মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘জার্মানির পপুলিস্ট দলটি বড় একটি রাত পার করেছে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির কোনো রাজ্যে প্রথমবারের মতো একটি কট্টর ডানপন্থি দল ক্ষমতায় যাওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে। যদিও এএফডি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, তবে তাদের এই সাফল্য দেশটির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ফাইনালে শুরু থেকেই দুই দলের লড়াই ছিল জমজমাট। আক্রমণে স্পেন কিছুটা এগিয়ে থাকলেও জার্মানির রক্ষণ ছিল অটল। তৃতীয় কোয়ার্টারেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়। ৪৪তম মিনিটে মিশেল স্ট্রুথফের করা গোলেই এগিয়ে যায় জার্মানি। শেষ পর্যন্ত তাঁর সেই গোলই হয়ে থাকে ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোল।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান সরকারের উপমুখপাত্র সেবাস্তিয়ান হিলে এ কথা জানান। সেবাস্তিয়ান বলেন, ‘চ্যান্সেলর বেন-গভিরের অমানবিক আহ্বানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এগুলো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’