প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নতুন করে হামলা হলে ইরানের রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র ও সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি অবকাঠামো এবং পারমাণবিক কেন্দ্রও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।