মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই ফিরোজ আহমেদ মুন্সী এসব তথ্য জানিয়েছেন। তার তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সক্রিয় কর্মী পরিচয় দিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেন। পরে সেই পরিচয় ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন।