ওয়ালটন এসি কিনে লাখ টাকা ক্যাশ ভাউচার পেলেন ডা. ইয়াসীন আলী
সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। এর আওতায় ঈদে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন নন-স্টপ মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ। রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। এরই ধারাবাহিকতায় চলমান সিজন-২০ এর আওতায় ওয়ালটনের এসি কিনে ১ লাখ টাকা ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন রাজধানী উত্তরার ডা. ইয়াসীন আলী।
শনিবার ডা. ইয়াসীন আলীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার তুলে দেন ওয়ালটনের কর্মকর্তাগণ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন এসির ব্র্যান্ড ম্যানেজার খলিলুর রহমান, ওয়ালটনের ডেপুটি ডিরেক্টর অপূর্ব সরকার, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার নজরুল ইসলাম এবং নিকুঞ্জ ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার সুমন মোল্লা প্রমুখ।
সিজন-২০ এ ইয়াসিন ছাড়াও কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরার তাজুল ইসলাম মিশু এবং হবিগঞ্জের নোয়াবাদের মোস্তফা আহমেদ ওয়ালটনের এসি কিনে ২০ হাজার টাকা করে ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতেও প্রাপ্ত ক্যাশ ভাউচার তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গাজীপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন ডা. ইয়াসিন আলী। বাসায় ব্যবহারের জন্য তিনি ৬ এপ্রিল রাজধানীর নিকুঞ্জ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৮ হাজার ৯৯০ টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে ৫৬ হাজার ৯৯০ টকা মূল্যের ১ টনের একটি এসি কেনেন। এসিটি কেনার পর তার নাম, মোবাইল নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেল নম্বর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই তার মোবাইলে ওয়ালটনের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার একটি ম্যাসেজ যায়।
সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। এর আওতায় ঈদে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন নন-স্টপ মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ। রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। এরই ধারাবাহিকতায় চলমান সিজন-২০ এর আওতায় ওয়ালটনের এসি কিনে ১ লাখ টাকা ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন রাজধানী উত্তরার ডা. ইয়াসীন আলী।
শনিবার ডা. ইয়াসীন আলীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার তুলে দেন ওয়ালটনের কর্মকর্তাগণ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন এসির ব্র্যান্ড ম্যানেজার খলিলুর রহমান, ওয়ালটনের ডেপুটি ডিরেক্টর অপূর্ব সরকার, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার নজরুল ইসলাম এবং নিকুঞ্জ ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার সুমন মোল্লা প্রমুখ।
সিজন-২০ এ ইয়াসিন ছাড়াও কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরার তাজুল ইসলাম মিশু এবং হবিগঞ্জের নোয়াবাদের মোস্তফা আহমেদ ওয়ালটনের এসি কিনে ২০ হাজার টাকা করে ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতেও প্রাপ্ত ক্যাশ ভাউচার তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গাজীপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন ডা. ইয়াসিন আলী। বাসায় ব্যবহারের জন্য তিনি ৬ এপ্রিল রাজধানীর নিকুঞ্জ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৮ হাজার ৯৯০ টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে ৫৬ হাজার ৯৯০ টকা মূল্যের ১ টনের একটি এসি কেনেন। এসিটি কেনার পর তার নাম, মোবাইল নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেল নম্বর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই তার মোবাইলে ওয়ালটনের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার একটি ম্যাসেজ যায়।
