এডিবির কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এডিবি ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর ও থিমস) ফাতিমা ইয়াসমিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে বাজেট সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী ও অর্থ সচিব সাংবাদিকদের এডিবির কাছে আরও বাজেট সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি জানান। আর এডিবি ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এডিবির সঙ্গে সম্পর্ক ডেভেলপ করছে ৫০ বছর ধরে। এটা আরও ভালো হবে, আরও শক্তিশালী হবে। তার জন্যই আমরা সন্তুষ্ট। আমরা এডিবির বার্ষিক সম্মেলনে যাচ্ছি। সেখানে আরও আলোচনা হবে। কিন্তু সো ফার আমরা খুবই হ্যাপি। যেভাবে উন্নত হচ্ছে এবং আমাদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং, তারা আমাদের প্রয়োজন বুঝতে পারছে। আমরা খুবই সন্তুষ্ট।
এ সময় অর্থ সচিব বলেন, এডিবি আমাদের ৫০ বছরের বন্ধু। আমরা এডিবির কাছ থেকে ফান্ড পেয়ে আসছি, ভবিষ্যতে যেন আরও পায়, সেজন্য স্যার (অর্থমন্ত্রী) অনুরোধ করছে। বিশেষ করে বাজেট সাপোর্ট আমাদের নতুন উইন্ডো, বাজেট সাপোর্টে এডিবি আমাদের অনেক হেল্প করেছে।
আরও বাজেট সাপোর্টে চাওয়ার প্রেক্ষিতে এডিবির পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে? সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে ফাতেমা ইয়াসমিন বলেন, আলোচনা করছি আমরা। এরপর অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট সাপোর্টও দেবে। দেবে তো। ওরা আসছেই তো এজন্য।
চলতি বছরের জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় চার হাজার কোটি টাকার বেশি) বাজেট সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এডিবি। গত বছরের ১১ ডিসেম্বরে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে থেকেও ৯ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।
ইআরডির তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি আট মাসে সুদ ও আসল বাবদ আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের প্রায় ২০৩ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে সরকার। গত অর্থবছরের একই সময়ে পরিশোধ করেছিল ১৪২ কোটি ডলার। অর্থাৎ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। এর মধ্যে সুদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮০ কোটি ৬০ লাখ ডলার (৮০৬ মিলিয়ন) – আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা দ্বিগুণ হয়েছে।
