এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের চাহিদা বাড়ছে
দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন চলছে। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের স্থান হয়েছে দাম কমার তালিকায়। এমন পতনের বাজারেও দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট ধরে রেখেছে নতুন তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ।
গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে। এর মধ্যে দুই কার্যদিবস দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে। শুধু গত সপ্তাহ নয় শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পর থেকে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাচ্ছে এ কোম্পানিটি। অর্ধ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশের বেশি।
নিয়মানুযায়ী, একদিনে কোম্পানিটির শেয়ার দাম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বাড়তে পারে। গত ৬ মার্চ থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরুর পর ১৮ মার্চ পর্যন্ত প্রতিটি কার্যদিবসেই দিনের সর্বোচ্চ দামে কোম্পানিটির শেয়ারের বিপুল ক্রয় আদেশ আসে। অপরদিকে, প্রতিদিনই শূন্য পড়ে থাকে বিক্রয় আদেশের ঘর। তবে ১৯ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ার দাম কিছুটা কমে যায়। অবশ্য পরের কার্যদিবসেই আবার ঘুরে দাঁড়ায়। এমনকি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস আবার দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে কোম্পানিটি। প্রতিদিন ১০ শতাংশ করে বাড়ছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম।
এভাবে দাম বাড়ায় অর্ধ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশের বেশি। এতে ২০ টাকা (১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) দামের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪৫ টাকা ২০ পয়সায় উঠে গেছে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির মাত্র ৮৬টি করে শেয়ার পেয়েছেন।
