দুর্দান্ত জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ
প্রথম ম্যাচে বোলারদের ব্যর্থতায় মাত্র তিন রানে ম্যাচ হারায় দ্বিতীয় ম্যাচে টিম টাইগাররা ছিল ব্যাকফুটে। হারলেই শেষ সিরিজ। আর জিতলে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতায় ফিরবে বাংলাদেশ। এমন পরিসংখ্যানের ম্যাচে লঙ্কানদের ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জয়ের আশা টিকিয়ে রাখলো নাজমুল হোসেন শান্তরা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশ ক্যাপ্টোনের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমেই শরীফুল ইসলামের প্রথম ওভারে কোন রান করতে পারেননি আভিস্কা ফার্নান্দো। এরপর অবশ্য দ্বিতীয় ওভারে তাসকিনের বলে ৭ বলে ০ করে সাজঘরে ফেরেন আভিস্কা।
এরপর দুই মেন্ডিসের জুটিতে যখন বড় সংগ্রহের পথে এগোচ্ছিল লঙ্কানরা ঠিক তখনই ব্রেকথ্রু এনে দেন সৌম্য সরকার। কট বিহাইন্ড হওয়ার আগে কুশল মেন্ডিস ফেরেন ২২ বলে ৩৬ করে। সৌম্য ভাঙেন কামিন্দু মেন্ডিস ও কুশল মেন্ডিসের ৪২ বলে ৬৬ রানের জুটি।
দুই মেন্ডিস সাজঘরে ফেরার পর লঙ্কানরা দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েন। তবে শ্রীলঙ্কাকে শেষ পর্যন্ত পথ দেখান এঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দাসুন শনাকা। ম্যাথিউস ২১ বলে ৩২ এবং শনাকা করেন ১৮ বলে ২০ রান।
আর আগের ম্যাচে ২০৬ রানের টার্গেট দেয়া শ্রীলকা আজ টাইগারদের সামনে দাড় করায় ১৬৬ রানের লক্ষ্য।
জবাবে ব্যাট করতে নেমেই দারুন সূচনা করেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও লিটন দাস। ওপেনিং জুটিতে দুজনে মিলে পাওয়ার প্লেতে তুলেন ৬৩ রান। মাতিশা পাতিরানার বলে শর্ট বলে পুল করে সৌম্য (২২ বলে ২৬ রান) আউট হয়ে ফিরে গেলে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর লিটন দাসও এগোতে পারেননি বেশি দূর। আবারো বাংলাদেশ শিবিরে আঘাত পাতিরানার। শর্ট বলে ব্যাট ছুড়ে মারতে গিয়ে আউট হন লিটন। শর্ট মিডউইকেটে ক্যাচ তুলার আগে করেছিলেন ২৪ বলে ৩৬ রান করে। ৮৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর আর কোন উইকেট হারায়নি টিম টাইগাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৩৮ বলে ৫৩ ও তাওহীদ হৃদয়ের ২৫ বলে ৩২ রানের উপর ভর করে ১১ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌছে যায় লাল সবুজের দল।
এ জয়ে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ। আগামি ০৮ মার্চ সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচ।
