লিটনের অনবদ্য ৮৫ রানেও জিততে পারেনি কুমিল্লা
বিপিএল
১৭৮ রানের লক্ষ্য, লিটনই এনে দিলো ৮৫ রান। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। লিটনের ৫৮ বলের ৮৫ রানের ইনিংসের পরও অবশ্য জিততে পারেনি কুমিল্লা। অথচ এই ম্যাচটা জিতলেই, দুই ম্যাচ হাতে রেখেই প্লে-অফ নিশ্চিত হতো কুমিল্লার। মাত্র ১২ রানে সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে হেরেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে আরিফুল হকের করা দ্বিতীয় ওভারে ২২ রান নিল কুমিল্লা। ১ ছক্কা, ৩ চার ও ২টি ডাবলে ২২ রানই নিলেন লিটন। এক ঝটকায় ৩২ বলে ৪৪ হয়ে গেল লিটনের রান। পরের ওভারের শেষ বলেই কুমিল্লার ওপেনার পেয়ে গেলেন এবারের বিপিএলের নিজের দ্বিতীয় ফিফটি।
সেই লিটন টি-টোয়েন্টির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেই শেষ পর্যন্ত ফিরেছেন ৮৫ রানে। ১৯৬ ম্যাচের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এর আগে লিটনের সর্বোচ্চ ছিল ৮৩ রান। এ বছরই চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের জার্সিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫১ বলে ৮৩ রান করেছিলেন লিটন।
৫৮ বলে ৮৫ রান করেও ম্যাচ জিততে পারেনি কুমিল্লা। ৬ উইকেটে ১৬৫ রানে থেমে যায় তাদের যাত্রা। সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে হেরেছে ১২ রানে। অন্যদিকে, ১১ ম্যাচে পাওয়া চতুর্থ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চট্টগ্রাম পর্ব শেষ করলো সিলেট। দলটির আগেই লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিলো।
টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া সিলেট ৫ উইকেটে করেছিল ১৭৭ রান। বেনি হাওয়েলের ঝড়ে শেষ ৫ ওভারে সিলেট করে ৬৯ রান। ইংলিশ অলরাউন্ডার ৩১ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা মেরেছেন হাওয়েল।
এদিকে, লিটন ছাড়া কুমিল্লার ইনিংসে বলার মতো রান করেছেন আন্দ্রে রাসেল। ১৪ বলে ২৩ রান করে শেষ বলে আউট হয়েছেন ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার। রাসেলকে ফিরিয়েছেন তানজিম হাসান। জাতীয় দলের পেসার ৩ উইকেট নিয়ে সিলেটের সেরা বোলার। তানজিম অবশ্য ৩ ওভারে রান দিয়েছেন ৩৩টি।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন সিলেট স্ট্রাইকার্সের বেনি হাওয়েল।
১০ ম্যাচ খেলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে কুমিল্লা আছে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে। আর ১১ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে সিলেট আছে ছয় নম্বরে।
