এভারটনের কাছে হেরে ব্যাকফুটে লিভারপুল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে শেষ মুহূর্তে খেই হারালো লিভারপুল। লীগে নিজেদের শেষ চার ম্যাচে মাত্র এক জয় অলরেডদের। এর মধ্যে সবশেষ ম্যাচে হেরেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। বুধবার রাতে গুডিসন পার্কে স্বাগতিক এভারটনের কাছে ২-০ গোলে হেরে শিরোপার দৌড়ে পিছিয়ে পড়লো লিভারপুল।
ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখায় লিভারপুল। ৭৭ শতাংশ বল দখলে রেখে ২৩টি শটের ৭টি লক্ষ্যে রাখে অলরেডদের। বিপরীতে মাত্র ২৩ শতাংশ বল পজেশনে রেখে ১৬টি শটের ৬টি লক্ষ্যে রাখে এভারটন। লিভারপুলের তুলনায় কম দাপুটে হলেও আক্রমণে কার্যকারিতা দেখিয়েছে এভারটন। ম্যাচের ২৭তম মিনিটে সেন্টারব্যাক জ্যারাড ব্রান্থওয়েটের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। আর ৫৮ মিনিটে ২-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন এভারটনের ইংলিশ ফরোয়ার্ড ডমিনিক কালভার্ট-লিউন।
৩৪ ম্যাচে ২২ জয় ও ৮ ড্রয়ে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ টেবিলের দুইয়ে লিভারপুল। সমান ম্যাচে ২৪ জয় ও ৫ ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। তিনে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির ৭৩ পয়েন্ট। তবে আর্সেনাল ও লিভারপুলের চেয়ে দুই ম্যাচ কম খেলায় শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে সিটিজেনরা।
মাত্র এক সপ্তাহ আগেও এই মৌসুমে চারটি শিরোপা জয়ের পথে ভালোভাবে টিকে ছিল লিভারপুল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবশেষ ৯ ম্যাচে মাত্র ৪ জয়ে স্বপ্নগুলো চূর্ণ হয়েছে অলরেডদের। এফএ কাপ ও ইউরোপা লীগ থেকে বিদায়ের পর এবার প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা দৌড়েও পিছিয়ে পড়লো লিভারপুল। এভারটনের মাঠে হেরে ম্যাচ শেষে লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ বলেন, ‘পয়েন্ট টেবিলটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। সিটি এবং আর্সেনালের বাজে পরিস্থিতি প্রয়োজন এবং আমাদেরও ম্যাচ জিততে হবে।’
ক্লপ বলেন, ‘পারফরম্যান্সটা মোটেও প্রেরণাদায়ক ছিল না। সমর্থকদের কষ্টটা বুঝতে পারছি। আমি সত্যিই দুঃখিত। ডার্বিতে এর আগে লোকে আমাকে রেকর্ডের কথা বলেছে। কিন্তু এখন অভিজ্ঞতাটা অন্যরকম। এটার দরকার ছিল না, তবু ঘটে গেলো।’
ঘরের মাঠ গুডিসন পার্কে গত ১৪ বছরের মধ্যে এই প্রথম লিভারপুলের বিপক্ষে জিতলো এভারটন। এ মাঠে ৯টি মার্সেসাইড ডার্বিতে এটাই প্রথম হার লিভারপুল কোচ ক্লপের।
