সমতায় মেসির বর্তমান ও অতীত
আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় সকালে মায়ামির মাঠ ডিআরভি পিএনকে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল লিওনেল মেসির ‘বর্তমান’ও ‘অতীত’। বর্তমান ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং শৈশবে যেখান থেকে মেসির অবিশ্বাস্য অভিযাত্রার শুরু, সেই নিওয়েলস ওল্ড বয়েজ মুখোমুখি হয় এক প্রীতি ম্যাচে। এই ম্যাচ ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়। ফলে মেসিকে তাঁর ‘বর্তমান’এবং ‘শৈশব’এর মধ্যে কাউকে হারতে দেখতে হয়নি।
ইনজুরিতে ভুগতে থাকা মেসি এই ম্যাচে খেলবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অবশ্য মায়ামি কোচ মার্তিনো আগেই জানিয়েছিলেন, মেসিকে একাদশে দেখা যাবে। স্টেডিয়ামের টানেল দিয়ে দলের সঙ্গে মেসি মাঠে নামামাত্র করতালিতে ভিজিয়েছেন দুই দলের সমর্থকেরাই। ম্যাচের ৬০ মিনিট সময় পর্যন্ত মাঠে ছিলেন মেসি। গোলের সুযোগও পেয়েছেন বেশ কিছু। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি।
মায়ামি গোল পেয়েছে মেসি উঠে যাওয়ার পর। লুইস সুয়ারেজ, গ্রেসেল এবং মেসিকে তুলে নিয়ে কাম্পানা, সান্ডারল্যান্ড ও বোরগেলিনকে মাঠে নামান মার্তিনো। এর ৪ মিনিট পরই কর্নার থেকে দারুণ হেডে গোল করেন স্নেইডার বোরগেলিন। নিওয়েলসও ম্যাচে ফিরতে বেশি সময় নেয়নি। ৮৩ মিনিটে গোল করেন নিওয়েলসের ফ্রাঙ্কো দিয়াজ।
মেসির জন্য এক দর্শক মাঠেও ঢুকে পড়েছিলেন। রাতটা তাঁর জন্য এরকমই আবেগের ছিলো। ম্যাচ শেষে মেসিকে জড়িয়ে ধরেছেন নিওয়েলসের কয়েকজন খেলোয়াড়। নিওয়েলসের গোলদাতা দিয়াজ এবং এস্তেবান ফার্নান্দেজকে বুকেও টেনে নেন মেসি। রোজারিতে জন্ম নেওয়া মেসি সেই অঞ্চলের এই ক্লাবকেই সমর্থন করেছেন, আর ক্লাবটির বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত।
এদিকে, শুধু মেসি নন, মায়ামি কোচ জেরার্দো মার্তিনোর জন্যও এই ম্যাচ ছিল অন্যরকম নস্টালজিক। মায়ামির বর্তমান কোচ নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন। তাদের হয়ে লিগ জিতেছেন তিনবার, কোচ হিসেবেও লিগ জিতিয়েছেন ২০১৩ সালে।
