নিষিদ্ধ হলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক
আরো একবার টাইব্রেকারে নৈপুণ্য দেখালেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের দক্ষতায় ইউরোপা কনফারেন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে লিলকে হারায় অ্যাস্টন ভিলা। যার আলো ছড়ানো পারফরম্যান্সে কনফারেন্স লীগের সেমিফাইনালের টিকিট পেলো প্রিমিয়ার লীগের ক্লাবটি, সেই মার্টিনেজকেই শেষ চারের প্রথম লেগে পাবে না তারা। কার্ডের খড়গে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন আর্জেন্টাইন বাজপাখি।
বৃহস্পতিবার রাতে ইউরোপা কনফারেন্স লীগ কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারায় লিল। প্রথম লেগে অ্যাস্টন ভিলা একই ব্যবধানের জয় পাওয়া ৩-৩ গোলের সমতায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও নিষ্পত্তি না হলে শুরু হয় টাইব্রেকার। পেনাল্টি শুটআউটে লিলের দুই শট ঠেকিয়ে দিয়ে অ্যাস্টন ভিলার জয়ের নায়ক গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ম্যাচটিতে দুটি হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো দিবু। তবে নিয়মের ফাঁকে জোড়া হলুদ কার্ড পেয়েও লাল কার্ড দেখেননি তিনি। লিলের বিপক্ষে এদিন ম্যাচ চলাকালীন সময়ক্ষেপণের দায়ে তাকে প্রথম দফায় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। পরে টাইব্রেকারে শট ঠেকিয়ে লিলের দর্শকদের দিকে নানারকম ভঙ্গি করতে দেখা যায় মার্টিনেজকে। প্রতিপক্ষের শট নিতে আসা ফুটবলারদের মনোযোগ নষ্ট করতেও বিচিত্র সব কাণ্ড করতে থাকেন তিনি। রেফারি তাকে প্রথমে সতর্ক করে দেন। তাতেও না থামায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয় তাকে। তবে নিয়মানুযায়ী মূল ম্যাচের হলুদ কার্ড বিবেচনায় নেয়া হয় না টাইব্রেকারের ক্ষেত্রে। দুটি হলুদ কার্ডেও তাই লাল কার্ড দেখতে হয়নি মার্টিনেজকে। এই দুই কার্ডের জন্য অবশ্য নিষিদ্ধ হননি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। শেষ আটের প্রথম লেগেও একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। সেই কার্ড, আর কোয়ার্টার ফাইনালের একটি কার্ডে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে নিষিদ্ধ হয়েছেন দিবু মার্টিনেজ।
ইউরোপা কনফারেন্স লীগের সেমিফাইনালে অ্যাস্টন ভিলার প্রতিপক্ষ অলিম্পিয়াকোস। প্রথম লেগের লড়াই হবে আগামী ২ মে। আর দ্বিতীয় লেগ মঞ্চস্থ হবে ৯ মে।
