উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটার কামিন্স
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়শিপের পর ওয়ানডে বিশ্বকাপ- ২০২৩ সালে দু’বার বিশ্বজয় করে অস্ট্রেলিয়া। এই সাফল্যে অজিদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ব্যাট ও বলে পারফর্ম করে অবদান রাখেন অস্ট্রেলিয়ার টানা দুই শিরোপা জয়ে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেলেন কামিন্স। ক্রিকেটের বাইলবেলখ্যাত উইজডেনের চোখে ২০২৩ সালের সেরা পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। খেতাবটির আনুষ্ঠানিক নাম উইজডেন’স লিডিং ক্রিকেটার ইন দ্য ওয়ার্ল্ড।
শুধু বিশ্বকাপ ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নয়, কামিন্স গত বছর ইংল্যান্ডে হওয়া অ্যাশেজেও নেতৃত্ব দেন অস্ট্রেলিয়াকে। রোমাঞ্চকর সেই সিরিজ ২-২তে ড্র করে শিরোপা ধরে রাখে আগের বছরের চ্যাম্পিয়নরা। কামিন্সকে বর্ষসেরা নির্বাচিত করা প্রসঙ্গে উইজডেনের সম্পাদক লরেন্স বুথ বলেন, ‘বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অস্ট্রেলিয়ার সাফল্যে নেতৃত্ব দেয়ার পর প্যাট কামিন্স অ্যাশেজ ধরে রেখেছেন। এজবাস্টনে প্রথম টেস্টেও শেষ দিকে নেমে ব্যাট হাতে অবদান রেখেছেন কামিন্স। এরপর ভারতে বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০২৩ সালে আর কোনো সিমার তার ৪২ উইকেটের চেয়ে বেশি পাননি।’
কামিন্সের হাত ধরে ১১ বছর পর কোনো অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার পেলেন উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের খেতাব। কামিন্সের আগে সবশেষ ২০১২ সালে অজি পুুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে লিডিং ক্রিকেটার হয়েছিলেন দলটির সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। কামিন্সের আগে টানা চার বছর স্বীকৃতিটা পেয়েছিলেন ইংলিশ ক্রিকেটাররা। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে তিনবারই বর্ষসেরা হন বেন স্টোকস। ২০২১ সালে লিডিং পুরুষ ক্রিকেটার হন জো রুট।
মেয়েদের লিডিং ক্রিকেটার ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হয়েছেন ইংল্যান্ডের ন্যাট সিভার-ব্রান্ট। মেয়েদের অ্যাশেজের পারফরম্যান্স বর্ষসেরা হতে সহায়তা করেছে এই নারী অলরাউন্ডারকে।
