মুস্তাফিজের সামনে দুই রেকর্ডের হাতছানি
২০১৬ সালে প্রথম আসরেই আইপিএলে সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের খেতাব জিতেছিলেন মোস্তফিজুর রহমান। এরপর আইপিএলের আরও ৭ আসর অনুষ্ঠিত হলেও মোস্তাফিজের খুব একটা অর্জন নেই বললেই চলে। তবে ২০২৪ আইপিএলে কাটার মাস্টার যেন আবারও সেই ১৬ আইপিএল ঝলক দেখাচ্ছেন। এরই মধ্যে চেন্নাইয়ের হয়ে ফিজ রয়েছেন দারুন ছন্দে।
চেন্নাইয়ের হলুদ জার্সিতে নিজের স্লোয়ার আর কাটারে নাজেহাল করছেন প্রতিপক্ষকে। ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। অন্তত হোম গ্রাউন্ড এম চিদাম্বারামে দ্য ফিজকে সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিপক্ষ। মাত্র ৪ ম্যাচে পেয়েছেন ৯ উইকেট। যার ৮টিই এসেছে হোমভেন্যুতে।
সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকায় আছেন তিন নাম্বারে। পার্পল ক্যাপের দৌড়ে ফিজ অবশ্য শেষ পর্যন্ত থাকছেন না সেটা একপ্রকার নিশ্চিত। কারণ দেশের হয়ে খেলতে ফিরে আসতে হবে এই পেসারকে। তবে আরও দুটো রেকর্ড ঠিকই হাতছানি দিচ্ছে ফিজকে।
আইপিএলে এখন পর্যন্ত নিয়মিত খেলেছেন দু’জন বাংলাদেশি। মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাকিব আল হাসান। ফ্র্যাঞ্চাইজি এই লিগের এক মৌসুমে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেটের রেকর্ড ফিজের নিজের। ২০১৬ সালেই পেয়েছিলেন ১৭ উইকেট। সেটাই সর্বোচ্চ। এরপরেই সাকিবের ২০১৮ সালের ও মুস্তাফিজের ২০২১ সালের ১৪ উইকেট। এবারের আসরে ফিজ আর ৯ উইকেট পেলেই এক মৌসুমে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়বেন।
শুধু তাই-ই না। পরের ম্যাচগুলোতে ৯ উইকেট পেলে ফিজের মোট উইকেট হবে ৬৫টি। সাকিব আল হাসানকে টপকে তখন তিনিই হবেন আইপিএলে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। ৭১ ম্যাচে সাকিব পেয়েছেন ৬৩ উইকেট। আর মুস্তাফিজ ৫২ ম্যাচে পেয়েছেন ৫৬ উইকেট।
তবে, এই রেকর্ড মোস্তাফিজ এ বছর আইপিএলে ভাঙতে পারবেন কিনা তাতে রয়েছে সন্দেহ। কেননা, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশি পেসারের এনওসি মেয়াদ আছে। এই সময়ের মধ্যে ৪টি ম্যাচ খেলতে পারবেন ফিজ। যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে তারই সাবেক দুই দল। ১৪ই এপ্রিল মুম্বাইয়ের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে খেলবেন ফিজ।
১৯ এপ্রিল ও ২৩শে এপ্রিল পরের দুই ম্যাচই লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে। আর এই আসরে মুস্তাফিজ শেষ ম্যাচ খেলবেন ২৮শে এপ্রিল। চেন্নাই সেদিন খেলবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে। এখন দেখার বিষয় হাতে যে কয়টি ম্যাচ আছে তাতে দুটি রেকর্ড বগলদাবা করতে পারবেন কিনা ফিজ।
