বিদায়বেলায় মেসির কথায় ‘গর্বে বুক ভরে গেছে’ ডি মারিয়ার
কোপা আমেরিকা শেষে অবসরে যাবেন আনহেল ডি মারিয়া। বিদায়বেলায় আরও একটি শিরোপার হাতছানি আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের সামনে। আজ কানাডাকে সেমিফাইনালে হারিয়ে কোপার ফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। আর শেষ চারের লড়াইয়ে নামার আগে সতীর্থ ও প্রিয় বন্ধু লিওনেল মেসির থেকে একটি বার্তা পেয়েছেন ডি মারিয়া। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের ভাষ্য, মেসির কথায় গর্বে বুক ভরে গেছে তার।
গত বছরের ২৩ নভেম্বর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছিলেন আনহেল ডি মারিয়া। সেখানে লিখেছিলেন, এবারের কোপা আমেরিকায় খেলেই আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রাখবেন তিনি। পরিকল্পনায় অটল রয়েছেন ডি মারিয়া। আজ সেমিফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার বলেন, ‘১৪ জুলাই (বাংলাদেশ সময় ১৫ জুলাই) ফাইনালে যাই ঘটুক, আশা করি, মাথা উঁচু রেখে বিদায় নিতে পারব। মাথা উঁচু রেখে বিদায় নিতে যা করা সম্ভব, সবই করেছি। নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। এই জার্সির জন্য নিংড়ে দিতে কোনো কিছু বাকি রাখিনি। হ্যাঁ, সময় কখনো কখনো আমার পক্ষে ছিল না। তবে শেষ দিকে এসে এটা শুরু হয়েছে।’
শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানিয়ে ডি মারিয়া বলেন, ‘যারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে, তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার পরিবারের প্রতি এবং এই দলটার প্রতিও (কৃতজ্ঞ), যারা আমাকে সবকিছু দিয়েছে।’
কানাডা ম্যাচের আগে মেসি ডি মারিয়াকে বলেছেন যে, তার জন্যই ফাইনালে উঠতে চায় আর্জেন্টিনা। ডি মারিয়া বলেন, ‘আজ মাঠে নামার আগে লিও (মেসি) বলেছে, তারা আমার জন্য ফাইনালে উঠতে চায়। হৃদয়টা গর্বে ভরে গেছে। শেষ সময়ে তাদের (জাতীয় দলের সতীর্থ) সঙ্গে যা কিছু জিতেছি, সবাই আমার গর্বের উৎস।’
মানসিকভাবে এখনো জাতীয় দল ছাড়তে প্রস্তুত নন ডি মারিয়া। তবে সিদ্ধান্ত পাল্টাবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। ডি মারিয়া বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচ খেলতে এখনো প্রস্তুত নই। তবে এটাই সময়। যেভাবে শেষ করার স্বপ্ন দেখেছি সেটাই হচ্ছে- আরেকটি ফাইনালে পৌঁছেছি।’
ডি মারিয়া বলেন, ‘আমার সতীর্থরা জানে, সিদ্ধান্ত পাল্টাব না। ব্যাপারটি আগেই চূড়ান্ত হয়েছে। তারা আমার সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছে। এখন আর একটি ম্যাচই বাকি আছে। মনে হচ্ছে, এখনো চালিয়ে যেতে পারব, তবে সময় এটাই। যা যা দিতে হতো, সেসবের সবকিছু নিংড়ে দিয়ে এখন হাতে আর একটি ম্যাচই আছে। এই জার্সির জন্য আমি সর্বস্ব দিয়েছি এবং আমার মনে হয়, বিদায় বলার এটাই সেরা সময়।’
