মনে হয় না বাংলাদেশ একটা স্বাধীন রাষ্ট্র: ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা যাদের বিশ্বাস করি, যাদের ওপর আস্থা রাখি সেটা হলো গণমাধ্যম। সেই গণমাধ্যমের ওপর প্রথম আঘাত করেছে সরকার। অনেক টেলিভিশন-পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, সরকারের আচরণ দেখে মনে হয় না বাংলাদেশ একটা স্বাধীন রাষ্ট্র। মনে হয় পুরোপুরি একটি আধিপত্যবাদ সরকার আমাদের ওপর চেপে বসেছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন । ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশ।
তিনি বলেন, যারা লিখতে চান, মতপ্রকাশ করতে চান, তাদের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করেছে সরকার। তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে মারা হয়। এ সরকারের হাত থেকে গণমাধ্যমও রেহায় পায়নি, পায় না। ফ্যাসিবাদ শক্তি যখন আক্রমণ করে তখন কেউ রেহাই পায় না।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি আমরা। শুধু বিরোধীদল নয়, পেশাজীবী নয়, পুরো জাতি একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্মুখীন হয়েছে। ১৮ থেকে ২০ বছর হবে আমরা গণতন্ত্রকে হারিয়ে ফেলেছি। সেইসঙ্গে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে সরকার।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, অনেকে ভাবছেন বিএনপির আন্দোলন নস্যাৎ হয়ে গেছে, কিন্তু কখনই না। প্রতিটি আন্দোলনের পরে আরও শক্তিশালী হয়েছে এ শক্তিগুলো।
ইফতার মাহফিলে বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, কবি আব্দুল হাই শিকদার, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ডিইউজে নেতা বাছির জামাল, রাশেদুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
