২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী আদেশ মিলিয়ে মোট ২৯ দিন ছুটি থাকবে। এর মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিন, ঈদুল আজহায় ছয় দিন এবং শারদীয় দুর্গাপূজায় দুই দিন ছুটি থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর আগে গত ২ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী বছর সাধারণ ছুটি ১৫ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন। মোট ছুটির মধ্যে সাত দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারে। সাধারণ ছুটির চার দিন এবং নির্বাহী আদেশের তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে।
সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ৫ মার্চ জুমাতুল বিদা, ১০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৩ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তি, ১ মে মে দিবস, ১৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহা, ২০ মে বুদ্ধপূর্ণিমা, ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ১৫ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ২৫ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১০ অক্টোবর দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন।
নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে রয়েছে ২৪ জানুয়ারি পবিত্র শবে বরাত, ৭ মার্চ পবিত্র শবে কদর, ৮ ও ৯ মার্চ এবং ১১ ও ১২ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের চার দিন, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ। ঈদুল আজহার আগে ১৫ ও ১৬ মে এবং পরে ১৮ থেকে ২০ মে পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন ছুটি থাকবে। এ ছাড়া ১৬ জুন পবিত্র আশুরা এবং ৯ অক্টোবর দুর্গাপূজার মহানবমীতে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিক ছুটিও রাখা হয়েছে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর্মচারীদের জন্য বৈসাবি ও অন্যান্য সামাজিক উৎসব উপলক্ষে ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে।
মুসলিম পর্বের ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে শবে মিরাজ, ঈদুল ফিতরের পরের দিন, ঈদুল আজহার পরের দিন, আখেরি চাহার সোম্বা ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরস্বতী পূজা, শিবরাত্রি ব্রত, দোলযাত্রা, হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, মহালয়া, দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা ও শ্যামাপূজায় ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর্মচারীদের জন্য বৈসাবি ও সংশ্লিষ্ট সামাজিক উৎসবে ঐচ্ছিক ছুটি থাকবে।
