রাশিয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার পেছনে নাশকতা, দুই সেতু ধ্বংস, ৭ জনের মৃত্যু
রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক ও কুরস্ক অঞ্চলে ট্রেন চলাকালে সেতু ধসে প্রাণ গেল ৭ জনের, আহত ৭১—আর এর নেপথ্যে রয়েছে পরিকল্পিত নাশকতা! এমনটাই জানিয়েছে রাশিয়ার জাতীয় তদন্ত কমিটি।
শনিবার সন্ধ্যায় ব্রায়ানস্কে যাত্রীবাহী ট্রেনের সামনে আচমকা ভেঙে পড়ে একটি রেলসেতু। হতাহতের ঘটনায় গোটা অঞ্চলজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া।
এর কয়েক ঘণ্টা পর, রোববার ভোরে কুরস্কে আরেকটি রেলসেতু ভেঙে পড়ে একটি মালবাহী ট্রেনের ওপর। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন চালকসহ তিনজন ট্রেনকর্মী।
জাতীয় তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুটি ঘটনাতেই সেতুগুলো 'উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে'—অর্থাৎ, এটি স্রেফ দুর্ঘটনা নয়, ছিল স্পষ্ট নাশকতা। ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে এবং তদন্তে নেমেছে সংস্থাটির মূল তদন্ত ইউনিট।
দুর্ঘটনাস্থলে এখন চলছে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান। কীভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হল, কারা জড়িত—তা জানতে তৎপর তদন্তকারীরা।
কুরস্ক অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর আলেকজান্ডার খিনস্টেইন জানান, মালবাহী ট্রেনটি সেতু পার হওয়ার সময় সেটি ভেঙে পড়ে। ট্রেনের কয়েকটি বগি নিচের সড়কে পড়ে যায়, তবে বেশিরভাগই রেললাইনে রয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, লোকোমোটিভে আগুন ধরে যায়, তবে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আহত চালক ও তার সহকারীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ব্রায়ানস্ক দুর্ঘটনা নিয়ে রুশ সিনেটর আন্দ্রেই ক্লিশাস সরাসরি ইউক্রেনকে দায়ী করে বলেন, "ইউক্রেন এখন এক ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’, যার নেই কোনো বৈধ সীমান্ত, সরকার বা আইন।"
