ইউক্রেনে ঢোকা পশ্চিমা যুদ্ধবিমান ধ্বংস করবে রাশিয়া: পুতিন
ন্যাটো দেশগুলোর ওপর সরাসরি কোন হামলা চালাবে না রাশিয়া। তবে ন্যাটো যদি ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান দিয়ে সহয়তা করে, সেসব বিমান রাশিয়া ধ্বংস করবে। গত বুধবার এসব কথা জানান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ন্যাটোর দেশগুলো ছাড়াও বাল্টিক অংশের দেশ যেমন পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, মাল্টার মতো দেশগুলোর বিরুদ্ধে কিছুই করবে না রাশিয়া। তবে তারা কিংবা ইউক্রেনের মিত্ররা যদি যুদ্ধবিমান পাঠায়, সেগুলোকে ধ্বংস করা হবে। এছাড়া কিছুদিন আগে রাশিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছিলেন, ন্যাটোর দেওয়া অস্ত্র রাশিয়ার জন্য বৈধ টার্গেট।
পুতিন তার বিমান বাহিনীকে বলেন, বাল্টিক অঞ্চলের দেশগুলোকে ভয় দেখাচ্ছে রাশিয়া এমন তথ্য সত্য নয়। সোভিয়েত ভাঙার পর থেকে এসব দেশ রাশিয়ার দিকে বিস্তৃত হয়েছে। তবে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হবে না। ন্যাটোর ট্যাংক, মিসাইল বা অন্য অস্ত্র যেভাবে ধ্বংস করা হয়, যুদ্ধবিমান পাঠালেও একইভাবে তা ধ্বংস করা হবে। সেই সাথে আরো হুশিয়ারি দেন, যেসব স্থান থেকে এসব যুদ্ধবিমান সরবারহ করা হবে, সেসব স্থানকেও টার্গেট করা হবে।
বেশ কিছুদিন ধরেই ইউক্রেন বিমান চেয়ে আসছে মিত্রদের কাছে। সেই ডাকে সাড়া দিয়েছে নরওয়ে, ডেনমার্ক, বেলজিয়ামসহ কয়েকটি দেশ। তারা এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন দিয়ে ইউক্রেনকে সাহায্য করতে চায়। সেই সাথে ইউক্রেনের পাইলটদের প্রশিক্ষনের প্রকল্পের কথাও বলেছিলো তারা। তবে পুতিনের এমন হুশিয়ারির পর মিত্র দেশগুলোর এসব প্রকল্প ঝিমিয়ে পড়বে বলে মনে করেন যুদ্ধনীতি বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনকে দেওয়া মিত্র দেশগুলোর সহয়তা দিনে দিনে কমে আসছে। কিছুদিন আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ মন্তব্য করেন, ইউক্রেনের পতন আসন্ন। এর পর থেকেই ইউক্রেনে মিত্র দেশ থেকে আসা সামরিক ও আর্থিক সহয়তায় ভাটা পড়তে শুরু করেছে।
