পাকিস্তানে চলছে পিটিআইর বিক্ষোভ, বিরোধী নেতা হলেন ওমর আইয়ুব
গত ৮ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কর্মীরা। দলের ডাকা বিক্ষোভে সাড়া দিয়ে রোববার দলটির কর্মী-সমর্থকেরা রাওয়ালপিন্ডি থেকে শুরু করে করাচি, খান্দকট, তানকসহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে লাহোরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ। সেখানকার জিপিও চক এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন পিটিআই কর্মী ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শহরের মল রোড ও অন্য এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হয়। করাচি ও সিন্ধু এলাকায় পিটিআই সমর্থকদের ঠেকাতে পুলিশ ও রেঞ্জার্সের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। রাওয়ালপিন্ডিতে পিটিআই সমর্থক ও পুলিশ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। সেখানে একটি মিছিল শহরে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। তানকের পাশাপাশি ফয়সালাবাদ, ভেহারি, খুশাব, ইসলামাবাদ, মুলতান, গুজরানওয়ালার মতো শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন না মানলেও পার্লামেন্টে থাকছে ইমরান খানের দলের আইনপ্রনেতারা। পিটিআই ও এসআইসি জোট গত শনিবার জাতীয় পরিষদের স্পিকার সর্দার আয়াজ সাদিকের কাছে পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব খানকে বিরোধী দলের নেতা মনোনীত করে নথি জমা দিয়েছে। জাতীয় পরিষদে সংরক্ষিত আসন পেতে পিটিআই-সমর্থিত ৯০ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এসআইসিতে যোগ দেন। এসআইসির প্রধান সাহেবজাদা হামিদ রাজা, সংসদ সদস্য আলী মোহাম্মদ খান, রিয়াজ ফাতিয়ানা, নিসার আহমদ জাট এবং অন্যান্যের উপস্থিতিতে মালিক আমির ডোগার মনোনয়নপত্র জমা দেন। পিটিআই সমর্থিত সব সদস্য এতে সই করেছেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ঐতিহ্য অনুযায়ী, বিরোধী দলের নেতা কথা বলতে চাইলে তিনি সে সুযোগ পান। তিনি মন্ত্রীর মর্যাদা পান। এ ছাড়া তিনি আলাদা কার্যালয়ও পেয়ে থাকেন।
