পুনাকের ভালোবাসায় ভরপুর এক সন্ধ্যা
আলোকিত মুখ, গর্বিত অভিভাবক আর উদ্দীপ্ত তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখরিত ছিল রাজধানীর রমনার পুনাক কার্যালয়।
সোমবার রাতে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) আয়োজন করেছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠান পুলিশ পরিবারের ৩১ জন মেধাবী ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা।
শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তাদের এই সাফল্য শুধু পরিবারকেই নয়, পুরো পুলিশ সমাজকেই করেছে গর্বিত।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুনাক সভানেত্রী আফরোজা হেলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, 'তোমাদের আরও উদ্যমী হতে হবে এবং আগামী দিনের পথচলা আরও সুগম করতে হবে। আজকের এ সাফল্য কেবল শুরু, সামনে তোমাদের জন্য রয়েছে আরও বড় সুযোগ ও সম্ভাবনা।' তার বক্তব্যে যেমন প্রেরণা ছিল, তেমনি ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ।
আয়োজনে বক্তৃতা দেন পুনাক সহসভানেত্রী আইরিন রহমান এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকা তৌহিদা নূপুর। তারা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে অভিভাবক ও শিক্ষকদের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, সন্তানদের প্রতিটি সাফল্যের পেছনে বাবা-মা এবং শিক্ষকদের অশেষ ত্যাগ জড়িয়ে থাকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমাজ কল্যাণ সম্পাদিকা শামীম আক্তার শারফুদ্দিন (শম্পা)।
সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা ও তাদের অভিভাবকরা এ আয়োজনকে মনে রাখার মতো এক অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন। কেউ কেউ আনন্দে চোখ মুছতে মুছতে বলছিলেন, এমন সম্মাননা ভবিষ্যতের পথ চলায় তাদেরকে আরও সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে পুনাক পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় আন্তরিক শুভ কামনা আমাদের কৃতি শিক্ষার্থীদের আগামীর পথচলা হোক আলোকিত, গৌরবময় ও সফল।
এই আয়োজন প্রমাণ করেছে, পুলিশ শুধু আইনশৃঙ্খলার রক্ষকই নয়, পরিবারের সন্তানদের প্রতিটি সাফল্যেও সমানভাবে গর্বিত ও সম্পৃক্ত।
