নীল প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার কাজল আটক
সুপ্রিম কোর্ট বারে ভোট গণনা নিয়ে মারামারি
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মারধর, ভাংচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় পল্টনের চেম্বার থেকে পুলিশ আটক করে তাকে। এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল।
এর আগে গতকাল শুক্রবার ২০ জন আইনজীবীকে আসামি করে শাহবাগ থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুর রহমান সিদ্দিকী (সাইফ)। মামলায় আরো ৩০/৪০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির রমনা জোনের (গোয়েন্দা বিভাগ) অতিরিক্ত উপকমিশনার আজহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও মারধরের ঘটনায় করা মামলার এজাহার নামীয় আসামি রহুল কুদ্দুসকে আটক করার তথ্য জেনেছেন।
শাহবাগ থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় তাঁকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনেছেন সাইফুর রহমান। সেখানে আইনজীবী নাহিদ সুলতানাকে (যুথী) প্রধান এবং রুহুল কুদ্দুসকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়। নাহিদ সুলতানা যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের স্ত্রী। মামলা হওয়ার পর নাহিদ সুলতানাকে গ্রেপ্তারে কয়েক দফায় তাঁর ধানমন্ডির বাসায় অভিযান চালালেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বিকেলে গণমাধ্যমে একটি লিখিত বিবৃতি পাঠান। তাতে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ৮ মার্চ (শুক্রবার) ভোরে সমিতির মিলনায়তনের ভেতরে নৈরাজ্যকর ঘটনা আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহ মঞ্জুরুল হক ও নাহিদ সুলতানার সমর্থকদের মধ্যে সংঘটিত হলেও ওই ঘটনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী তিনি ও আরও তিনজন আইনজীবী নেতাকে আসামি করে শাহবাগ থানায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা ওসমান চৌধুরীকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের বাড়িতে বা চেম্বারে হানা দেওয়া হচ্ছে। এমন আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে যে কোনো আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারছেন না।
