মাদ্রাসাছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ
সংগৃহীত ছবি
টঙ্গীতে ৬ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদ্রাসা থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে শিশুটির জবানবন্দিও। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির বাবার করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
পরে গতকাল শনিবার দুপুরে তদন্তের অংশ হিসেবে মাদ্রাসায় যায় পুলিশ। সেখানে সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়। ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত এখনো চলছে, শেষ হলে আমরা বিস্তারিত জানাতে পারবো।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ অক্টোবর সোমবার টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ওই মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীটি যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। ঘটনার পর শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। পরিবারের সদস্যরা কারণ জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু বলেনি। পরে মা-বাবার জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছে ঘটনার কথা জানায়।
এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে শিশুটির স্বজনেরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে শিক্ষককে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির বাবা মামলা করেন।
