চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
অতি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে চুয়াডাঙ্গা এখন হিটস্পটে পরিণত হয়েছে। টানা ২২ দিন এই জেলা দিয়ে অতি তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে চলেছে। স্বস্তির আশায় এক পশলা বৃষ্টির অপেক্ষায় চুয়াডাঙ্গা জেলার মানুষ। পুরো এপ্রিল মাস জুড়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে এই জেলায়। গত ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রার পারদ উঠেছিল ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
চুয়াডাঙ্গায় আজও (শুক্রবার ৩মে) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যারফলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান রয়েছে। গত বুধবার ছিল ৪২ দশমিক ৮, গত মঙ্গলবার ছিল ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চুয়াডাঙ্গার ২০ বছরের মধ্যে স্মরণকালের রেকর্ড তাপমাত্রা। গত তিনদিন তাপমাত্রা কমলেও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর উপরেই থাকছে। যদিও এপ্রিলের শুরু থেকেই মূলত দাবদাহ শুরু হয়। এই মে মাসে এসেও সেটা চলামান রয়েছে। তবে আবহাওয়া অফিস বলছে কয়েকদিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও কমে আসবে এবং ৫/৬ ই মে থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, কড়া রোদ থাকায় বাতাসে আগুনে হলকা অনুভূত হচ্ছে। ভর দুপুরে খোলা আকাশের নিচে কিংবা পাকা রাস্তায় চলাফেরা করা একেবারেই সম্ভব হচ্ছে না। অন্তত মাথার ওপর কোনো আচ্ছাদন দেয়া ছাড়া হাঁটা অসম্ভব ব্যাপার হয়ে গেছে।
গত ২৪ এপ্রিল এ জেলায় মধ্যরাতে হঠাৎ ১.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। আর বৃষ্টি এরপর থেকেই অসহ্য গরম থেকে মুক্তি পায়নি জেলাবাসী। ৪১ থেকে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে তাপমাত্রা উঠানামা করেছে। দেশের অনেক অংশের কোথাও কোথাও তাপ কম ও সহনীয় কিছুটা বৃষ্টি হওয়ার কারণে। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার চিত্র একেবারেই ভিন্ন। গতমাসে শুধু একদিন বৃষ্টি হয়। তবে এ বৃষ্টিতে ঠান্ডা হয়নি বরং অস্বস্তি আরো বাড়িয়েছে মানুষের। এই ভ্যাপসা গরমে কাঙ্ক্ষিত বর্ষণ নেই বলে তেতে আছে চুয়াডাঙ্গাসহ এ অঞ্চল।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক জামিনুর রহমান বলেন, আজ বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ১১ শতাংশ। তবে এ মাসের ৫/৬ তারিখের পর থেকে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
