পাটগ্রামে পাগলা কুকুরের কামড়ে জখম ১০
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের নবীনগর এলাকায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাগলা কুকুরের কামড়ে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ মোট ১০ জন জখম হয়েছেন বলে জানা যায়। শনিবার এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যবৃন্দ।
বাউড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আনারুল ইসলাম জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই ব্যক্তির নাম নুর ইসলাম (৫০) সে ৬ নং ওয়ার্ডের মৃত বজলার রহমানের ছেলে। তার জানামতে ৪ নং ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যকর্মী শিউলি (৫১), ৭ নং ওয়ার্ডের সাফিয়া (৫৫)সহ অন্যান্য ওয়ার্ডের ৮ থেকে ১০ জন ওই কুকুরের কামড়ে জখম হয়েছেন।
মো. আনারুল ইসলাম অভিযোগের সুরে বলেন, ‘রাস্তার কুকুর কাউকে কামড়ালে করণীয় কি সে বিষয়ে আমাদের জন্য কোন দিকনির্দেশনা নাই। আমি আজকে ব্যক্তিগত কাজে লালমনিরহাট আসায় প্রতিবন্ধী ছেলেটার খোঁজ নিতে পারিনি। টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কিনবে এমন সামর্থ্য তার নেই। আমি গিয়ে তাকে ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা করবো। আমরা পাটগ্রাম পৌরসভায় ভ্যাকসিন এর জন্য গেলে তারা লালমনিরহাট যেতে বলে। আর লালমনিরহাটে যাতায়াতে অনেক খরচ। এই গরিব ও দিনমজুর মানুষগুলো কীভাবে চিকিৎসা চালাবে তার একটা ব্যবস্থা থাকা দরকার’।
৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডে প্রায় ৪ থেকে ৫ জন জখম হয়েছেন। তন্মধ্যে নাহিদ হাসান (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্র গুরুতর জখমের শিকার। নাহিদদের বাসায় বেড়াতে আসা তাদের এক আত্মীয় সালমাও (৪৫) ওই কুকুরের কামড়ে জখম হয়েছেন।’।
আহত স্কুল ছাত্র নাহিদ জানান, কুকুরের হাবভাব দেখে তিনি ভয় পেয়ে দৌড় দেন। তখন কুকুরটি তার পিছু নিয়ে তাকে আক্রমণ করে। পরে এলাকার ডাক্তার তাকে ভ্যাকসিন দেয় ও ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ লাগায়। তিনি যখন চিকিৎসা নিতে যান তখন সেখানে নিপা নামের আরেকজনও একই কারণে চিকিৎসা নিতে এসেছিল।
উল্লেখ্য, বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে বাউড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: রাবিউল হক এর মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।
