বিড়ির শুল্ক প্রত্যাহারসহ চার দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন
বঙ্গবন্ধুর আমলে বিড়ি শিল্পে কোনো শুল্ক ছিল না, তাই আগামী বাজেটে বিড়ির ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার, অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বিদেশী কোম্পানির নিম্নস্তরের সিগারেট বন্ধ এবং বিড়ি শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়ন।
রোববার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানান বিড়ি শ্রমিকরা।
মানববন্ধন শেষে পাবনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চার দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।
মানববন্ধনে বিড়ি শ্রমিকরা বলেন, পাবনা অঞ্চলসহ সারাদেশের ১৮ লক্ষ হতদরিদ্র, শারীরিক বিকলাঙ্গসহ বিভিন্ন শ্রমিক বিড়ি কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বঙ্গবন্ধুর সময়ের মতো জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেও বিড়ি শিল্পের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার এবং দেশীয় শ্রমিক নির্ভর শিল্প হিসেবে বিড়ি শিল্পের উপর থেকে অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে।
শ্রমিকরা আরও বলেন, বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী ও দেশের কিছু এনজিও বিড়ি শিল্পকে ধ্বংস করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বর্তমানে নিম্নস্তরের সিগারেট টোব্যাকো মার্কেটের ৭৫ শতাংশ দখল করে আছে। সুতরাং দেশীয় শ্রমঘন বিড়ি শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষার্থে এই দেশে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর নিম্নস্তরের সিগারেট উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। একইসাথে বিড়ি শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করতে হবে।
পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি হারিক হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, আবুল হাসনাত লাভলু, আনোয়র হোসেন, রানী খাতুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান, পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আলম হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক দুলাল মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল শেখ, কোষাধ্যক্ষ টোকন রায়, শ্রম সম্পাদক চামেলি খাতুন প্রমুখ।
