৯ বছর পর কমিটি পেতে যাচ্ছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ
নেতৃত্বশূন্য মহানগর ছাত্রলীগকে গতিশীল করতে দীর্ঘ নয় বছর পর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। নতুন কমিটি গঠনের সংবাদে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। এতেই আনাগোনা বেড়েছে দলীয় কার্যালয়ে । কর্মসূচিতে বেড়েছে উপস্থিতি। সক্রিয় হয়ে উঠেছে তৃণমূল কর্মীরাও।
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের যৌথ স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃত্বপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আহ্বান করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় দপ্তরসূত্রে জানা যায়, সহসভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে আবেদন জমা পড়েছে। নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের সিভি জমাদানের শেষ তারিখে ১৯৭ জন নেতৃত্ব প্রত্যাশী সিভি জমা দিয়েছেন।
সিভি জমাদানকারীদের মধ্যে রয়েছে বিবাহিত ও খুনের মামলায় চার্জশিটভূক্ত আসামি। এছাড়া দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকের ছাত্র-রাজনীতির বয়স নেই।
খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১৫ সালের ৮ জুন। ২১৫ সদস্যের কমিটির অধিকাংশই এখন ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় নেই। সভাপতি শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন যুবলীগের পদ পেয়েছেন সাড়ে ৪ বছর আগে। আড়াই বছর আগে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক হয়েছেন নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল।
জানা গেছে, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি পদে বর্তমান সহ-সভাপতি মাসুদ হোসাইন সোহান, মাহমুদুল ইসলাম সুজন, রনবীর বাড়ৈ সজল, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাহমুদুর রহমান রাজেশ, এম এ হোসাইন সবুজ ও সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুমান আহম্মেদ আবেদন করেছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহী খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান ইসলাম শাওন, ইবনুল হাসান, বিএল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নিশাত ফেরদৌস অনি, শেখ শাহরিয়ার রহমান রাহুল ও বায়েজিদ সিনহা।
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল বলেন, ‘খুলনা মহানগরী ছাত্র রাজনীতির উর্বর ভূমি। এখানে শীর্ষ পদে ১৯৭ জন পদ প্রত্যাশী সিভি জমা দিয়েছেন। যা দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ার প্রতিফলন। আশা করি এবারের কমিটিতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হবে।’
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, ‘যাচাই-বাছাই ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের সাথে কথা বলে দ্রুত কমিটি দেওয়া হবে।’
