ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন অসম্প্রদায়িক এই সোনার বাংলাকে কোনও অশুভ শক্তি ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করলে, তা শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে শত বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নেয়। তারপরই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা এসে এই মুজিনগরের আম্রকাননের সকল কিছু ভেঙে গুড়িয়ে দেই। তারপরও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালিরা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে। দিনটি আমাদের বাঙালি জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মুজিবনগর দিবস পালন করা উচিত।
আজ বুধবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মুজিবনগর আম্র কাননে শেখ হাসিনা মঞ্চে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাসিম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খাইরুজ্জামান লিটন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল আহমেদ এমপি, মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি এমপি।
এসময় বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক, ডাক্তার সৈয়দা জাকিয়া নুর এমপি, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন এমপি, মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ডাক্তার এএসএম নাজমুল হক সাগর। সভাটি সঞ্চালনা করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক।
এর আগে সকাল ৯টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে গার্ড অব অনার প্রদান শেষে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও সন্ধা ৭টার দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
