লালমনিরহাটে হতে পারে বিমান মেরামতের কারখানা
লালমনিরহাটে বঙ্গবন্ধু এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে তৈরি হতে পারে একটি বিমান মেরামতের কারখানা। কানাডার আইএমপি ক্যাসকেড অ্যারোস্পেস কোম্পানি বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত করার জন্য বাংলাদেশে একটি বাণিজ্যিক এমআরও ফ্যাসিলিটি করার ইচ্ছা পোষণ করায় এই সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
লালমনিরহাটে এই মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহোলিং (এমআরও) হলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচবে এবং দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে বলে আশা করা যায়। অপরদিকে এ ধরনের স্থাপনা সীমান্তবর্তী জেলা লামনিরহাটের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলা ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্রমতে, কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ খলিলুর রহমানকে কানাডায় রাষ্ট্রদূত করে পাঠানোর পর তিনি কয়েকটি কাজের দায়িত্ব নেন। তন্মধ্যে ঢাকা-কানাডা-ঢাকা বিমান ফ্লাইট এবং বাংলাদেশে বাণিজ্যিক এমআরও স্থাপন অন্যতম। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক এমআরও স্থাপন করা হলে বিমানবাহিনীর বিমানগুলো এবং বাণিজ্যিক বিমানগুলো মেরামত করা সম্ভব হবে। এমআরও ফ্যাসিলিটি হলে বাংলাদেশে কানাডার বড় অংকের বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে আগস্ট মাসে বঙ্গবন্ধু এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ করার সময় তৎকালীন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও বর্তমানে লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব নুরুজ্জামান আহমেদ সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বলেছিলেন, ‘ভবিষ্যতে লালমনিরহাটে একটি বিমান মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হতে পারে’।
