স্বস্তির ঈদযাত্রায় বাগড়া ফিটনেসবিহীন গাড়ি
স্বজনদের সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরা শুরু হয় ৪ এপ্রিল থেকে। এরপর থেকে ৮ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত ছিলো স্বস্তির ঈদযাত্রা। মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। ফলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় থেকে করটিয়া বাইপাস পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ তাৎক্ষণিক যানজটের কারণ উদঘাটন করতে পারেনি।
সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে ধীরে ধীরে যানজট থেকে ধীরগতিতে পরিনত হয় এ মহাসড়কে যান চলাচল। এরপর বেলা ১১ টার পর থেকে কেটে যায় যানজট। যানবাহন চলাচল শুরু হয় থেমে থেমে। এই জট তো, এই ফাঁকা সড়ক। পুলিশ যানজটের কারণ বলতে না পারলেও সরজমিনে মহাসড়কের বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখা গেছে, স্বস্তির ঈদযাত্রায় বড় বাগড়া ফিটনেসবিহীন গাড়ি।
খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি জায়গায় চলন্ত বাস বিকল হয়েছে। কোনটার চাকা ফেটে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরক্ষণেই বিকল হওয়া গাড়ির পেছন থেকে শুরু হয় যানজট। ধীরে ধীরে যানজটে গাড়ির সারি দীর্ঘ হতে থাকে।
মঙ্গলবার মহাসড়কের বিক্রমহাটী এলাকায় সকাল ১১টায় একটি বাসের চাকা ফেটে বিকল হয়ে যায়। যাত্রী ও বাসের স্টাফ ধাক্কা দিয়ে বাসটি সরাতে সরাতে পেছনে গাড়ির লম্বা সারি হয়ে যায়। এসময় প্রায় আধা ঘণ্টা যানজট তৈরি হয়।
টাঙ্গাইল ও পার্শ্ববর্তী জেলা পুলিশে সুন্দর পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টায় শঙ্কামুক্ত ঈদ যাত্রায় বাগড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব ফিটনেসবিহীন গাড়ি। কয়েকটি বাসের চালক জানান, পুরো রাস্তা স্বাভাবিকভাবেই আসছিল। কয়েকটি জায়গায় বাস বিকল হয়ে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষজন।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান জানান, মহাসড়কে পরিবহনের খুবই চাপ রয়েছে। এতে পরিবহনগুলো খুবই ধীরগতিতে চলাচল করছে। এছাড়া সেতুর ওপর একটি বাস নষ্ট হওয়ায় ৫মিনিট বন্ধ ছিল পরিবহন চলাচল। এছাড়াও পরিবহনগুলো রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলায় অন্যান্য পরিবহনগুলো ধীরগতির সৃষ্টি হয়।
বঙ্গবন্ধু সেতু বিভাভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল পাভেল জানান, সোমবার দিবাগত রাত ৯টার পর সেতুর উপরে ১১টি গাড়ি বিকল হয়। সেগুলো তাৎক্ষণিক অপসারণ করাতে কিছুটা সময় লাগে। এতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছ।
