ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ 

পতনের ধাক্কায় লেনদেন নামলো ৩০০ কোটির ঘরে

পুঁজির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৩৪, ২ এপ্রিল ২০২৪

শেয়ার

পুঁজির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

পুঁজিবাজারে লাগাতার পতন চলছে। ফলে পুঁজি ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সমন্বয় করেও কুল পাচ্ছেন না তারা। কারণ সমন্বয় করতে গেলে লোকসান আরও বাড়ছে। আবার শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বের হবেন তারও কোন উপায় নেই। ফলে পুঁজির নিরাপত্তা নিয়ে ভাবনায় পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

সাম্প্রতিক বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন চলছেই। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে লেনদেন খরা। সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএসইতে লেনদেন কমে তিন’শ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে।

এর আগে গত সপ্তাহ লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রথম তিন কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন হয়। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই মূল্যসূচক কিছুটা বাড়ে। চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা মেলে। তবে দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার এসে আবার বড় দরপতন হয়।

এ পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার  লেনদেন শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমে যায়। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার ধারা অব্যাহত থাকায় এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ৫৬ পয়েন্ট কমে যায়। তবে শেষদিকে কিছু প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ায় পতনের মাত্রা কিছুটা কমে আসে।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৭৯টি প্রতিষ্ঠান। বিপরীতে দাম কমেছে ২৬৮টি প্রতিষ্ঠানের। আর ৪৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৩৮ পয়েন্টে নেমে গেছে।

অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৪৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সবকটি মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমে তিনশ কোটি টাকার ঘরে চলে এসেছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৬৭ কোটি ৬৫ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪৬৮ কোটি ৮২ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ১০১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এই লেনদেনে সব থেকে বেশি অবদান রেখেছে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার। কোম্পানিটির ২১ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহিনপুকুর সিরামিকসের ১৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং।

অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৭৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২০৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৮টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

দ্য নিউজ/ এম আর এন

live pharmacy
umchltd