ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ 

আসছে বছরেই এআই’র কাছে হেরে যাবে মানুষ: ইলন মাস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৪৪, ৩০ মার্চ ২০২৪

আপডেট: ১৪:৪৪, ৩০ মার্চ ২০২৪

শেয়ার

আসছে বছরেই এআই’র কাছে হেরে যাবে মানুষ: ইলন মাস্ক

আগামী এক বছরের মধ্যে এআই তার বুদ্ধি দিয়ে একজন মানুষকে হারিয়ে দিতে সক্ষম হবে। 

সম্প্রতি ইলন মাস্ক তার এক্স হ্যান্ডেলে এমনই একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আগামী এক বছরের মধ্যে একজন ইন্ডিভিজুয়াল মানুষকে এআই তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে হারিয়ে দিতে সক্ষম হবে। এবং আগামী ২৯ সালের মধ্যে একাধিক মানুষের কোন দলকেও  হারিয়ে দিতে সক্ষম হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’।

আর এই পোস্টেকে ঘিরেই বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। অনেকেই বলছেন, এআই এর পক্ষে মানুষকে হারানো কোনভাবেই সম্ভব নয়। এটি কেবল মাস্কের  ভ্রান্ত ধারণা।

তবে, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কোন ভাবে এড়িয়ে যাচ্ছেন না বিষয়টি। তারা বলছেন, যে গতিতে এআই তার সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, তাতে মানুষকে হারাবে এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। সম্প্রতি এআই এমন কিছু করেছে যেটি বিশেষজ্ঞদের একথা বলতে বাধ্য করছে। এআই ইঞ্জিনিয়ার নিজেই নিজেকে ডেভেলপ করতে সক্ষম। বিষয়টি যতটা সহজ মনে হচ্ছে তত সহজ নয়। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে মানুষ বা হিউমান ইঞ্জিনিয়াররাই তার সমাধান করেন। কিন্তু এআই ইঞ্জিনিয়ার ধারণাটি সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে এআই প্রযুক্তি নিজেই নিজেকে ডেভেলপ করতে পারবে। কোন ত্রুটি হলে নিজেই সমাধান করে নিতে পারবে। নতুন ফিচার যুক্ত করা বা নতুন কিছু শিখে নেওয়া। সবই করতে পারবে ইচ্ছামতো।

তাইতো সবকিছু মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের ধারণা অদূর ভবিষ্যতে নয়, ইলন মাস্কের দেওয়া ভবিষ্যৎবাণী সত্য হতে পারে। হয়তো কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষকে হার মানতে হবে এআই এর কাছে।

এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বর্তমান সময়ের সর্বাধিক আলোচিত বিষয়। ওপেন এআই এর চ্যাট জিপিটি লঞ্চের মধ্য দিয়ে তুমুল আলোচনায় আসে এআই। প্রাথমিকভাবে চ্যাট জিপিটি বা এআই চ্যাট বট মানুষের সঙ্গে কথা বলতো এবং ছোটখাটো কাজ করতে সক্ষম ছিল। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে আপডেটের মাধ্যমে এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে বেশ জটিল কাজও করতে পারে এআই।

সম্প্রতি সময়ে লক্ষ্য করলেই দেখবেন এআই ঢুকে পড়ছে সব জায়গায়। স্মার্ট ফোন, টেলিভিশন, ক্যামেরা, গাড়ি বা মেডিকেল ইকুইপমেন্ট সব কিছুই যেনো এআই-র দখলে।

শুধু শুধু ব্যবহৃত হচ্ছে না। এর সুবিধাও রয়েছে অনেক। ঘন্টার কাজ মুহূর্তেই করে দিতে পারে এআই। সমস্যার সমাধানে নিজেই নিতে পারে সিদ্ধান্ত। তাইতো এআই -এর প্রতি মানুষের আগ্রহ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। 

ধীরে ধীরে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শুরু হচ্ছে এর ব্যবহার। যদিও শিল্প ইন্ডাস্ট্রি -তে এআই-র ব্যবহার সহজভাবে নিতে পারছে না অনেকেই। তাদের ধারণা, এআই-র ব্যবহার শুরু হলে কর্মহীন হয়ে পড়তে পারে হাজার হাজার মানুষ। 

কেউ কেউ আশঙ্কা করছিল, অদূর ভবিষ্যতে মানুষের জায়গা দখল করবে এআই। তবে সেই ভবিষ্যৎ যে এত কাছে অনেকে কল্পনাও করতে পারেনি। 

দ্য নিউজ/ এসএইচ/ এনজি

live pharmacy
umchltd

সম্পর্কিত বিষয়: