ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ 

‘৪৬ জন মারা গেছেন, এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:৪০, ১ মার্চ ২০২৪

আপডেট: ১৬:৪১, ১ মার্চ ২০২৪

শেয়ার

‘৪৬ জন মারা গেছেন, এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে’

৪৬ জন মানুষ মারা গেছেন, এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অথচ ফায়ার এক্সটিংগুইশার লাগানো, অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে বারবার আমরা নির্দেশ দিচ্ছি। সেটা কিন্তু মানে না।

শুক্রবার (১ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিমা দিবস-২০২৪ উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেইলি রোডে যে আগুনটা লাগলে, সেখানে একটা বহুতল ভবন, সেখানে কোনো ফায়ার এক্সিট নেই।

 

তিনি বলেন, সবসময় আমাদের যারা আর্কিটেক্ট তাদের অনুরোধ করি, আপনারা অন্তত যখন ঘরবাড়ি তৈরি করেন, একটু খোলা বারান্দা, ফায়ার এক্সিট বা ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু যারা (ভবন) তৈরি করতে চায়, আর্কিটেক্টরাও ওরকম ডিজাইন ঠিকমতো করবে না। আবার মালিকরাও এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে চায় না।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কজি কটেজ ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ২২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  এদের মধ্যে ২১ জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯ টা ৪০ মিনিটে ওই ভবনে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১২ টি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রাত ৯ টা ৫১ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে ৮টি ইউনিট। পরে আরও ৪ টি ইউনিট যুক্ত হয়। 

সাততলার ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের রেস্ট্রুরেন্ট রয়েছে। তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া বাকি সব তলাতেই খাবারের দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে খাবারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় হয়। অনেকেই পরিবার নিয়ে সেখানে খেতে যান।

তিনতলায় কাপড়ের দোকান ছাড়া বাকি সব ফ্লোরে রেস্টুরেন্ট থাকায় সব ফ্লোরেই ছিলো গ্যাস সিলিন্ডার। ধারণা করা হচ্ছে সে কারণেই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

বেইলি রোডের ওই ভবনে আগুনের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস।

দ্য নিউজ/ এএস

live pharmacy
umchltd