ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ 

‘ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:০৭, ২ এপ্রিল ২০২৪

শেয়ার

‘ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে ডিএমপি সর্বদা তৎপর। ঈদের উৎসবকে ঘিরে কোনো হুমকি নেই। বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা সাজানো হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

এসময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মুনিবুর রহমান ও উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ডিএমপির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকার বাইরে যাবেন। ওই সময়ে ঢাকা শহর ফাঁকা থাকে। তাই আমরা পরামর্শ দেব, নগরবাসী মূল্যবান জিনিসপত্রের বিষয়ে নিজেরা সজাগ থাকবেন এবং সচেতন থাকবেন। পুলিশের পক্ষ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছুটি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ছিনতাই রোধে আমাদের টিম কাজ করছে। ডিএমপির আট বিভাগে টাস্কফোর্সের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে ডিসি ও থানা পুলিশ একসঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। টাস্কফোর্স গঠনের পর বর্তমানে ডিএমপিতে ছিনতাইয়ের হার নিম্নমুখী। অর্থাৎ কমতে শুরু করেছে।

ঈদের কেনাকাটার কারণে মধ্যরাত পর্যন্ত নগরবাসী বাইরে থাকছেন। ফলে সড়কে গাড়ির চাপ থাকছে। কিন্তু রাতে ট্রাফিক সদস্যরা না থাকার কারণে ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রমজানের শুরুতে এমনটি ছিল না। এখন দেখছি যে, মানুষ রাতে মার্কেট করছে। গভীর রাত পর্যন্ত মানুষ কেনাকাটা করায় দোকান ও মার্কেট খোলা থাকছে। আমরা এখন থেকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা যদি ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান দেখি, তাহলে দেখবো দুর্ঘটনার বড় একটি অংশ মোটরসাইকেলে। সেই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে আমাদের কী করতে হবে। আমাদের পুলিশ সদস্যরা যারা দূরের পথে যাবেন, তাদের আমরা নিষেধ করছি, তারা যেন কোনো অবস্থায় মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে না যান।

 তিনি বলেন, রাজধানীবাসীর অনেকেই মোটরসাইকেলে গ্রামের বাড়িতে যান। তাদের হয়তো নিজস্ব যুক্তি রয়েছে। কিন্তু ঈদের সময় সড়কে গাড়ির অনেক চাপ থাকে। ফলে আমি মনে করি, সেই সময়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকে। নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ছোট যানবাহন এড়িয়ে বড় যানবাহনে যাতায়াত করা উচিত।

 ছিনতাই রোধে পুলিশের টিম কাজ করছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ডিএমপির ৮ বিভাগে টাস্কফোর্সের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে ডিসি ও থানা পুলিশ একসঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। টাস্কফোর্স গঠনের পর বর্তমানে ডিএমপিতে ছিনতাইয়ের হার নিম্নমুখী।

 ঈদের ছুটিতে ফিটনেসবিহীন ও সিটিতে চলাচল করা বাস দূরের যাত্রী পরিবহন করে। যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হাবিবুর রহমান বলেন, এটি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী যে কমিটি রয়েছে সেখানে আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে সেখানেও আলোচনা হয়েছে। সভায় মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের নিষেধ করা হয়েছে, কোনো অবস্থায় ফিটনেসবিহীন বাস যেন যাত্রী পরিবহনের চেষ্টা না করে। পুলিশকেও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 


 

দ্য নিউজ/ এফ এইচ এস

live pharmacy
umchltd

সম্পর্কিত বিষয়: