ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ 

অ্যাকুরিয়ামে মাছ পালন; জেনে নিই কিছু টিপস

মো. আতিকুর রহমান

প্রকাশিত: ১৫:১৩, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আপডেট: ১৫:১৪, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

শেয়ার

অ্যাকুরিয়ামে মাছ পালন; জেনে নিই কিছু টিপস

অ্যাকুরিয়ামে মাছ পালনের শখ বহু বছরের পুরোনো শখের একটি। কেউ কেউ একে ব্যবসা হিসেবেও নিয়েছে। তবে  যারা সৌখিন অ্যাকুরিয়াম রাখেন, তাদের অনেকেই জানেন না অ্যাকুরিয়ামের যত্ন কিভাবে নিতে হয়। অনেক সময়ই জানেন না এসব মাছের নাম, জানা থাকে না এই মাছগুলো পুরুষ/স্ত্রী প্রজাতি আছে কি না। একসাথে অনেক মাছ হলেই হলো! লাল, নীল হরেক রকম মাছ। কিন্তু প্রশ্ন হলো- লাভ কোথায়? অনেকে বলবেন, শখ পূরণ করি, লাভ খুঁজবো কেন? 

কথাটা এখান থেকেই শুরু। ধরুন, আপনি ৫ জোড়া মাছ পালন করেন। প্রতি ১০-১৫ দিন পর পর একটা দুইটা করে মাছ মারা যায়। ফলে আস্তে আস্তে অ্যাকুরিয়াম খালি হয়ে যাচ্ছে। সাধারণত মাছগুলোর জোড়া না থাকার কারণে ডিম বা বাচ্চা হয় না বা বড় ছোট বিভিন্ন জাতের মাছ একসাথে লালন পালন করার ফলে ডিম বা বাচ্চা হলেও আপনার চোখে পড়ে না। কারণ, অন্য মাছে বাচ্চা খেয়ে ফেলে বা  ডিম নষ্ট করে ফেলে। ঠিক এই জন্যই বলেছি, লাভ-লসের কথা।

এখন প্রশ্ন হলো- মাছের মধ্যে পুরুষ/স্ত্রী বুঝব কিভাবে? অ্যাকুরিয়াম মাছের মধ্যে পুরুষ/স্ত্রী বোঝার জন্য আপনাকে কিছু বিষয় খেয়াল করতে হবে– 

১. একই জাতের মাছগুলো একসাথে ঘোরাফেরা করবে।
২. মাছগুলো একটা আরেকটার সাথে গা ঘেঁষাঘেঁষি করবে।
৩. পুরুষ মাছ স্ত্রী মাছের পিছনে পিছনে থাকবে।
৪. পুরুষ মাছটা দেখতে একটু চ্যাপ্টা ও লম্বা আকৃতির হবে। আর স্ত্রী মাছটা একটু গোলাকার বা পেট ফোলা থাকবে।
৫. স্ত্রী মাছ বাচ্চা দেয়ার সময় একটু আলাদা বা এক কোণে থাকার চেষ্টা করবে।
৬. পুরুষ মাছের পেটের নিচে লম্বা একটা কাটা থাকে, যা স্ত্রী মাছের থাকে না।

আসুন, এসব মাছের প্রজনন বা বাচ্চা নিয়ে কথা বলি। সৌখিন মাছের প্রজনন সাধারণত দুইভাবে হয়ে থাকে। যেমন- ১. ডিম থেকে বাচ্চা, ২. সরাসরি বাচ্চা। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-

১. ডিম থেকে বাচ্চা: ডিম থেকে বাচ্চা দেয়া মাছগুলো আকারে একটু বড় ধরণের হয়। কিছু নাম জেনে আসি, যেমন- অরান্ডা গোল্ডফিস, ফাইটার ফিস, গোল্ডফিস, চিংড়ি মাছ, কমেট ফিস, ফ্লয়ারহর্ন, কৈ কার্প ফিস, কিলি ফিস, জেব্রা ফিস, অস্কার ফিস, নিয়ন টেট্রা ফিস ইত্যাদি আরও অনেক।

সরাসরি বাচ্চা: সরাসরি বাচ্চা দেয়া মাছগুলো আকারে একটু ছোট হয়। কিছু নাম জেনে আসি, যেমন- মলি ফিস, গাপ্পি ফিস, প্লাটি ফিস, সোর্টেইল ফিস ইত্যাদি।

উপরের বিভিন্ন জাতের মাছগুলো বিভিন্ন রংয়ের হয়ে থাকে। যেমন- লাল, নীল, সাদা, কালো, সোনালী ইত্যাদি। আশাকরি, আমরা এবার অ্যাকুরিয়ামে এসব সৌখিন মাছ পালনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্তগুলো নিতে পারবো।

লেখক- একুয়ারিস্ট ও গণমাধ্যম কর্মী।
ফেসবুক গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/aquariumfishprice

দ্য নিউজ/ এনজি

live pharmacy
umchltd

সম্পর্কিত বিষয়: