ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ 

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের খবর

প্রকাশিত: ১৪:৩৭, ১ মার্চ ২০২৪

শেয়ার

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের খবর

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হচ্ছে ঢাকার বেইলি রোডের রেস্টুরেন্ট ভবনে আগুন লাগার ঘটনা। সংবাদ প্রকাশ করেছে এনবিসি, রেডিও নিউজিল্যান্ড, আল-জাজিরা, রয়টার্স, এএফপি, এপি, এএনআই, বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন, টিআরটি ওয়ার্ল্ড, আল আরাবিয়া নিউজ, আরব নিউজ, এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমসের মতো বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো। 
মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি লিখেছে, বাংলাদেশের রাজধানীর একটি মলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেনের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার ‘ডাউনটাউন’ এলাকায় ওই অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে। এতে আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। 
রেডিও নিউজিল্যান্ড লিখেছে, বাংলাদেশের একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ভবন থেকে ৭৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও কয়েক ডজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগুন লাগার প্রায় দুই ঘণ্টা পর এটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। কী কারণে আগুন লেগেছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে। 
কাতারভিত্তিক আল-জাজিরা মৃতের সর্বশেষ সংখ্যা ৪৫ জানিয়ে লিখেছে, গ্রিন কজি কটেজ নামে একটি ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে নিচ তলার একটি বিরিয়ানির রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। পরে তা দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট দুই ঘণ্টা ধরে লড়াই চালিয়ে যায়।
এদিকে বিবিসি বাংলাদেশি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে লিখেছে, বাংলাদেশের একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে একটি রেস্তোরাঁয় আগুনের সূত্রপাত হয়। ৭৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও কয়েক ডজন মানুষকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। বিবিসি আরও লিখেছে, বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে আগুন লাগা বেশ সাধারণ ঘটনা। এসব অগ্নিকাণ্ডের জন্য প্রায়ই দুর্বল নিরাপত্তা সচেতনতা এবং আইনের অপর্যাপ্ত প্রয়োগকে দায়ী করা হয়ে থাকে।
রয়টার্সও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্বজনরা শুক্রবার ভোরে তাদের প্রিয়জনের মরদেহ গ্রহণের জন্য হাসপাতালে জড়ো হতে থাকেন এবং অনেককে জরুরি বিভাগের বাইরে শোক করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থাটি। যারা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগই শ্বাসরোধে মারা গেছেন এবং কেউ কেউ ভবন থেকে লাফ দেয়ার কারণে মারা গেছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। রয়টার্স ঢাকা সম্পর্কে লিখেছে, এই শহরটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশ সাধারণ। আগুনের ঘটনা এখন নতুন ভবনেও বৃদ্ধি পেয়েছে, মূলত এসব ভবন প্রায়ই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই নির্মিত। ত্রুটিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার, এয়ার কন্ডিশনার এবং দুর্বল বৈদ্যুতিক তারের কারণে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকে।

live pharmacy
umchltd