ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ 

সুইডেনে কোরআন পোড়ানো সেই মমিকার রহস্যজনক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২৭, ২ এপ্রিল ২০২৪

আপডেট: ২০:৩৭, ২ এপ্রিল ২০২৪

শেয়ার

সুইডেনে কোরআন পোড়ানো সেই মমিকার রহস্যজনক মৃত্যু

সুইডেনে কোরআন পুড়িয়ে আলোচনায় আসা সালওয়ান মমিকার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার নরওয়েতে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ইন্ডিয়া টুডের এক সংবাদে এই তথ্য পাওয়া যায়।
পূর্বে ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতা ছিলেন মমিকা। ২০১৮ সালে অপর এক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে দ্বন্দ্বের পরে সুইডেনে পালিয়ে আসেন তিনি। ২০২১ সালে সুইডেনে বসবাসের অনুমতি পান তিনি। তবে সুইডেনে রেসিডেন্সি পারমিটের কিছু সমস্যার কারণে সম্প্রতি নরওয়েতে চলে আসেন তিনি। 

মমিকা নিজেকে লিবারেল নাস্তিক পরিচয় দিতেন। সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের বৃহত্তম মসজিদের সামনে কোরআন পুড়িয়ে সারা বিশ্বের নজরে আসেন তিনি। এই ঘটনার পরে সারাবিশ্বে সমালোচনা ও চাপের মুখে পড়ে সুইডেন সরকার। মমিকাকে সুইডেনে আশ্রয় দেওয়ার কারণে মুসলিম দেশগুলো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। 
মমিকা প্রথমে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পরবর্তীতে নাস্তিকতা বেছে নেন। তবে তার আচরণ ছিল ইসলামের বিরুদ্ধে। মমিকা কোরআনকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর গ্রন্থ হিসেবে আখ্যা দেন। গত ২৭ মার্চে মমিকা জানান, ইসলামি আদর্শের বিরুদ্ধে আমার লড়াই আমি চালিয়ে যাবো, এর জন্য যা-ই হোক, আমি মেনে নিতে প্রস্তুত আছি।  একইসাথে ওইদিন মমিকা জানান, তিনি সুইডেন ত্যাগ করে নরওয়েতে চলে যাচ্ছেন। নরওয়ে তার সুরক্ষা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। মমিকা ইরাকের তাল-আফার শহরে জন্ম নেন। জন্মসূত্রে তিনি খ্রিষ্টান ছিলেন। 

দ্য নিউজ/ এস এস

live pharmacy
umchltd