ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ 

কোটা পুনর্বহালের দাবিতে ১লা মার্চ শাহবাগে সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:১০, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আপডেট: ২২:১১, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

শেয়ার

কোটা পুনর্বহালের দাবিতে ১লা মার্চ শাহবাগে সমাবেশ

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ সকল কোটা পুনর্বহালের দাবিতে আগামীকাল ১লা মার্চ শুক্রবার বিকাল ৩টায় শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে সমাবেশের ঘোষণা করেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।

আজ (২৯ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ কর্মসূচির ডাক দেয়। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন। আরোও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম প্রিন্স, সহ-সভাপতি ফিরোজ আহমেদ সুজন, কানিজ ফাতেমা, শাহীন মাতুব্বর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিয় চন্দ্র দাশ, ঢাকা কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক আল ইমাম, দপ্তর সমন্বয়ক নুর আলম সরদারসহ অন্যরা।

 লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, "১ম ও ২য় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ সকল কোটা পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। আগামী ১লা মার্চ ২০২৪ শুক্রবার বিকাল ৩টায় শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে বাতিল হওয়া ১ম ও ২য় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ সকল কোটা পুনর্বহালের দাবিতে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, কেন্দ্রীয় কমিটি।

সংবিধান অনুযায়ী বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা, নারী কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা, জেলা কোটা ও আদিবাসী কোটা পুনর্বহালের দাবিতে এই সমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছে। সামাজিক সমতা নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই সাংবিধানিক অধিকার কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল করতে হবে। চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা কখনোই বৈষম্য তৈরি করে না। কোটা ব্যবস্থা সবসময় বৈষম্য দূর করে সমতা নিশ্চিত করে। রাষ্ট্রে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সমান সুযোগ সৃষ্টি করে।

সংবিধান ২৯ (৩) ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমাজের যেকোন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য রাষ্ট্র বিশেষ বিধান প্রবর্তন করতে পারবে। নারী, আদিবাসী, প্রতিবন্ধী, পিছিয়ে  থাকা জেলাসমূহের শিক্ষার্থীদের জন্য জেলা কোটা পুনর্বহাল করার মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কোটা পুনর্বহালের কোন বিকল্প নেই। মেধা কোটার নাম পরিবর্তন করে সাধারণ কোটা নামে সংজ্ঞায়িত করা প্রয়োজন। কারণ অন্য কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তরা কখনোই অমেধাবী নয়। তারাও মেধাবী। তাদেরকেও প্রিলি, লিখিত ও ভাইভায় পাশ করার পর কোটা সুবিধা পেতে হয়। 

দ্য নিউজ/ এনজি

live pharmacy
umchltd

সম্পর্কিত বিষয়: