ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ 

সাবেক স্বামীর আগুনে দগ্ধ ডা. লতা মারা গেছেন

নরসিংদী সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১৯:২৭, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আপডেট: ১৯:৫১, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

শেয়ার

সাবেক স্বামীর আগুনে দগ্ধ ডা. লতা মারা গেছেন
ডা. লতা আক্তার

সাবেক স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ ডা. লতা আক্তার (৩২) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় তার মৃত্যু হয়। তিনি শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

লতার চাচা ফারুক মিয়া মুঠোফোনে ডা. লতার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ডা. লতা নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়ন ব্রাহ্মনেরটেক গ্রামের মফিজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি ঢাকা গুলশান এলাকার শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। 

তালাক দেওয়া কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে লতার সাবেক স্বামী খলিলুর রহমান (৪০) চিকিৎসক স্ত্রীর ঘরে ঠুকে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এসময় দুই জনেই দগ্ধ হন। ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করেন। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে। 

ডা. লতাকে স্বজনরা উদ্ধার করে নিয়ে যায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। খলিলকেও উদ্ধার করে পাঠানো হয় নরসিংদী জেলা হাসপাতালে।

খলিলুর রহমান গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বেলাশী গ্রামের আতর আলী বেপারীর ছেলে। পরে তাকেও ঢাকায় পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. লতার সাবেক স্বামী গত সোমবার মারা যান। এর আগে ঘটনার পর ডা. লতার পরিবার খলিলুরের বিরুদ্ধ থানায় অভিযোগ দেয়।

ডা. লতার খালু ফরহাদ হোসেন জানান, লতা ২ বছর আগে নিজের পছন্দে খলিলকে বিয়ে করেন। বিয়ের বেশ কিছুদিন পর লতা জানতে পারেন খলিল পেশায় একজন ড্রাইভার। বিষয়টি লতা স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেনি। তাই মিথ্যে পরিচয়ে প্রতারণা করে বিয়ে করার অভিযোগে তার স্বামীকে সম্প্রতি ডিভোর্স দেয়। এ ঘটনায় স্বামী খলিলুর ক্ষিপ্ত হয়ে লতার বাড়িতে এসে এ ঘটনা ঘটায়। 

রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন মুঠোফোনে বলেন, ঘটনার পর লতার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছিলো। লতা এবং খলিলুর দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।

দ্য নিউজ/ এএএম/ এএস

live pharmacy
umchltd