ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ 

চম্পাবতীর কান্না থামছেই না

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২১:০৭, ২ এপ্রিল ২০২৪

শেয়ার

চম্পাবতীর কান্না থামছেই না

চম্পাবতীর দেড় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের কালো একটি গাভী ও সাদা বাছুর নিয়ে গেছে চোরেরা।  দীর্ঘদিন পেলে-পুষে বড় করা একমাত্র সম্বল হারিয়ে সত্তোর্ধ  চম্পাবতী নায়েক এখিন দিশেহারা। তার কান্না থামছেই না।

 

জানা যায়, প্রতিদিনের বাড়ির পাশে ছনখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে রশি দিয়ে খুটায় বেঁধে গরু চরান। স্বামীহারা বিধবা চম্পাবতী  শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের আঐ ( ছনখলাবস্তি) গ্রামের বাসিন্দা।  

 

সোমবার দুপুর আনুমানিক একটার দিকে দু’টি গাভী ও একটি বাছুরকে জল খাওয়াতে স্কুল মাঠে যান চম্পাবতী।  তিনি  গিয়ে দেখতে পান একটি গাভী ও একটি বাছুর নেই। শুধু খুটিটা পড়ে আছে। এরপর থেকে চম্পাবতী ও  দুই ছেলের বউ, ছেলে নির্মল ও পরিমল নায়েকসহ আত্মীয় স্বজন সকলে মিলে  গাভী ও বাছুর খুঁজে বেড়াচ্ছেন। আশপাশের এলাকা গান্ধী, আমরাইল, রাবার বাড়ী বৈরাগী, রায় বাড়ী, মুছাই, কালেঙ্গা, সাতষট্টি, আটষট্রি, সাতাইশ, উনত্রিশ, জেবি, সাতগাও, সিন্দুরখান সব খোয়াড় খোঁজা হয়েছে। স্থানীয় মসজিদের মাইকিংও করানো হয়েছে।  কিন্তু গত দু’দিনেও বাছুর ও গাভী দুটির খোঁজ পাওয়া যায়নি।

 

চম্পাবতীর দেবর ধনঞ্জয় নায়েক ছিলেন নি:সন্তান। তিনি মারা যান তিন চার বছর আগে।  ধনঞ্জয়ের বউয়ের ফান্ডের টাকা তুলে একটি ঢেকিরবাছুর কিনেন। এই ঢেকিবাছুর লালনপালনের পর দুটি গাভী ও একটা বাছুর হয়।  

সোমবার  সকালে এ দুটি গাভী ও  একটি গরু বাছুর স্কুল মাঠে  বেঁধে ঘাস খাওয়াতেন দেন।

 

দুপুরে গরুগুলোকে মাড়, গুড়া, জল খাওয়াতে গিয়ে দেখেন তিনটি গরুর মধ্যে দুই টি নেই।  দিনে দুপুরে একটি গাভী ও বাছুর  নিয়ে যাওয়ার পর থেকে এ বাড়িতে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।  পরিবারের কারো মন ভাল নেই। একমাত্র সহায়-সম্বল গরু দুটি হারিয়ে সবাই অঝোরে কাঁদছে।

 

live pharmacy
umchltd